সিন্ধুতীরে কবিতার প্রশ্ন উত্তর MCQ | Class 10 Bengali Sindhutire Mcq Question Answer
ক) সঠিক উত্তর নির্বাচন করো। (প্রতিটি প্রশ্নের মান ১)
১. সৈয়দ আলাওল ছিলেন —
ক) পঞ্চদশ শতকের কবি
খ) ষোড়শ শতকের কবি
গ) সপ্তদশ শতকের কবি
ঘ) অষ্টাদশ শতকের কবি
উত্তর: ক) পঞ্চদশ শতকের কবি
Educational Resources
২. সৈয়দ আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
ক) আরাকান
খ) চাকমা
গ) ত্রিপুরা
ঘ) গৌড়
উত্তর: ক) আরাকান
৩. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি কোন মূল কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত?
ক) লোর চন্দ্রানী
খ) হপ্তপয়কর
গ) তোহফা
ঘ) পদ্মাবতী
উত্তর: ঘ) পদ্মা
৪. দিব্যপুরি কোথায় ছিল?
ক) সমুদ্রের পাড়ে
খ) সমুদ্র থেকে অনেক দূরে
গ) সমুদ্র মাঝারে
ঘ) ধারে কাছে সমুদ্র ছিল না
উত্তর: গ) সমুদ্র মাঝারে
E-Books
৫. ‘সমুদ্রনৃপতি সুতা’ — সুতা শব্দের অর্থ —
ক) ভ্রাতা
খ) পিতা
গ) মাতা
ঘ) কন্যা
উত্তর: ঘ) কন্যা
৬. সমুদ্র নৃপতি সুতার নাম কি ছিল?
ক) পদ্মসম্ভক
খ) পদ্মা
গ) পদ্মালয়া
ঘ) পদ্মমুখী
উত্তর: খ) পদ্মা
৭. ‘সিন্ধুতীরে দেখি দিব্যস্থান’ — দিব্যস্থান বলতে এখানে কাকে বোঝানো হয়েছে?
ক) দেবতাদের স্থান
খ) দেব বর্জিত স্থান
গ) সুন্দর স্থান
ঘ) কুৎসিত স্থান
উত্তর: গ) সুন্দর স্থান
৮. ‘তথা কন্যা থাকে সর্বক্ষণ’ — কন্যা কোথায় থাকে?
ক) সমুদ্র মাঝে রম্য তরীতে
খ) রাজপুরের সুরম্য উদ্যান
গ) দূর দেশে
ঘ) পর্বতে বিচিত্র রত্নখচিত প্রমোদ উদ্যান
উত্তর: ঘ) পর্বতে বিচিত্র রত্নখচিত প্রমোদ উদ্যান
WBBSE সিলেবাস
৯. ‘মধ্যেতে যে কন্যাথানি’ — কন্যার রূপ কেমন ছিল?
ক) অতি কুৎসিত
খ) সাধারণ
গ) যেন রম্ভার চেয়ে সুন্দরী
ঘ) মাঝারি সুন্দরী
উত্তর: গ) যেন রম্ভার চেয়ে সুন্দরী
১০. রূপের কলা দেখে কন্যার কি ভাব হল?
ক) হিংসা হল
খ) বিস্মিত হল
গ) লজ্জা পেল
ঘ) রাগ হলো
উত্তর: খ) বিস্মিত হল
১১. ‘ইন্দ্রশাপে বিদ্যাধরি….’ — বিদ্যাধরি কে?
ক) দেবী
খ) কিন্নরী
গ) অপ্সরা
ঘ) মানবী
উত্তর: গ) অপ্সরা
১২. ভূপতিত কন্যার অবস্থা কেমন ছিল?
ক) সচেতন
খ) অর্ধচেতন
গ) মৃত
ঘ) কিঞ্চিৎ মাত্র শ্বাস ছিল
উত্তর: খ) অর্ধচেতন
History
১৩. ‘চিত্রের পোতলি সমা’ কথাটির অর্থ —
ক) চিত্রের পুতুলের ন্যায়
খ) চিত্রের ন্যায় মৃত
গ) চিত্রের ছবি চেয়ে হীন
ঘ) কোনটাই নয়
উত্তর: ক) চিত্রের পুতুলের ন্যায়
১৪. চেতনাহীন কন্যাকে দেখে পদ্মার মনে কিসের উদয় হয়েছিল?
ক) স্নেহ
খ) বিরক্তি
গ) ভালোবাসা
ঘ) দ্বেষ
উত্তর: ক) স্নেহ
Geographic Reference
১৫. সখিদের পদ্মা কি আদেশ দিয়েছিলেন?
ক) অচেতন কন্যাকে সমুদ্রে ফেলে দিতে
খ) আগুনে পুরিয়ে দিতে
গ) উদ্যানের মাঝখানে নিয়ে আসতে
ঘ) জল্লাদ ডেকে বধ করতে
উত্তর: গ) উদ্যানের মাঝখানে নিয়ে আসতে
১৬. তাগি জল পদ্মা কি করেছিলেন?
ক) সব পুড়িয়ে দিয়েছিলেন
খ) অন্ধকার দূর করেছিলেন
গ) শরীরে সেঁক দিয়েছিলেন
ঘ) কিছুই করেননি
উত্তর: গ) শরীরে সেঁক দিয়েছিলেন
১৭. কতক্ষণ যাবৎ চিকিৎসা চলেছিল?
ক) সারাদিনরাত
খ) চার দণ্ড
গ) দুই দণ্ড
ঘ) প্রভাত থেকে দ্বিপ্রহর পর্যন্ত
উত্তর: খ) চার দণ্ড
১৮. ‘শ্রীযুত মাগন গুণী’ — মাগন কে?
ক) সাধারণ রাজকর্মচারী
খ) রাজা স্বয়ং
গ) আরাকানের প্রধানমন্ত্রী
ঘ) বিদেশী কবি
উত্তর: ক) সাধারণ রাজকর্মচারী
১৯. ‘তাহাতে বিচিত্র টঙ্গি’ — টঙ্গি শব্দের অর্থ কি?
ক) উঁচু পর্বত
খ) প্রাসাদ
গ) বাড়ি
ঘ) উদ্যান
উত্তর: খ) প্রাসাদ
২০. ‘তথা’ বলতে বোঝানো হয়েছে —
ক) উদ্যান
খ) প্রমোদ নৌকা
গ) রাজপ্রাসাদ
ঘ) মাঞ্জস
উত্তর: গ) রাজপ্রাসাদ
২১. ‘দেখি দিব্যস্থান’ — দিব্যস্থানের অবস্থান কোথায়?
ক) পর্বত প্রান্তে
খ) সিন্ধুতীরে
গ) সমুদ্রতীরে
ঘ) বৃন্দাবন
উত্তর: খ) সিন্ধুতীরে
২২. ‘মধ্যেতে যে কন্যাখানি’ — সে ছিল —
ক) সজ্ঞাহীন
খ) আনন্দিত
গ) নিরাশ
ঘ) আবেগপ্রবণ
উত্তর: ক) সজ্ঞাহীন
২৩. অচেতন কন্যাদের সংখ্যা —
ক) পাঁচ
খ) চার
গ) তিন
ঘ) ছয়
উত্তর: ক) পাঁচ
২৪. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটির লেখক —
ক) মালিক মুহম্মদ জায়সি
খ) সৈয়দ আলাওল
গ) মাগন ঠাকুর
ঘ) সিকান্দার শাহ
উত্তর: খ) সৈয়দ আলাওল
২৫. ‘পঞ্চজনে বসনে ঢাকিয়া…..’ — পাঁচজন কি করলো?
ক) পদ্মাবতীকে প্রাসাদে নিয়ে গেল
খ) উদ্যানে নিয়ে গেল
গ) পদ্মাবতী চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেল
ঘ) পদ্মাবতীর স্বামী নৌকায় তুলে দিল
উত্তর: খ) উদ্যানে নিয়ে গেল
২৬. ‘কৃপা কর….’ — পদ্মা কার কাছে কৃপা প্রার্থনা করছেন?
ক) সমুদ্রের কাছে
খ) শিবের কাছে
গ) ব্রাহ্মণের কাছে
ঘ) নিরঞ্জনের কাছে
উত্তর: ঘ) নিরঞ্জনের কাছে
২৭. “বিধি মোরে না কর নৈরাশ” — পদ্মা এমন প্রার্থনা কেন করেছেন?
ক) তিনি চান পদ্মাবতীর প্রাণ রক্ষা করতে
খ) তিনি চান না তার সখীরা দ্রুত প্রাসাদে ফিরে যাক
গ) তিনি আর সামুদ্রিক ঝড়-ঝঞ্ঝা চান না
ঘ) তিনি চান না সমুদ্রে কেউ কষ্ট পাক
উত্তর: ক) তিনি চান পদ্মাবতীর প্রাণ রক্ষা করতে
২৮. “…. বিস্মিত হইল বালা” — পদ্মার বিস্মিত হওয়ার কারণ —
ক) কিভাবে সে কন্যা তার রাজ্যে এলো সে কথা ভেবে
খ) চার সখীর সঙ্গে পদ্মাবতীকে চিনতে পেরে
গ) পদ্মাবতীর রূপের ছটা থেকে
ঘ) পদ্মাবতীকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে
উত্তর: গ) পদ্মাবতীর রূপের ছটা থেকে
২৯. “ইন্দ্রশাপে বিদ্যাধরি…” — বিদ্যাধরী কে?
ক) স্বর্গের গায়িকা অপ্সরা
খ) ইন্দ্রের স্ত্রী
গ) কুবেরের স্ত্রী
ঘ) সরস্বতী
উত্তর: ক) স্বর্গের গায়িকা অপ্সরা
৩০. “কন্যারে ফেলিল যথা…” — এই কন্যা কে?
ক) রত্নসেনের কন্যা
খ) রত্নসেনের স্ত্রী পদ্মাবতী
গ) পদ্মাবতীর পঞ্চ সখী
ঘ) সমুদ্রকন্যা পদ্মা
উত্তর: খ) রত্নসেনের স্ত্রী পদ্মাবতী
৩১. “সখী সবে আজ্ঞা দিল….” — পদ্মাবতীর সখীদের আদেশ দিয়েছে —
ক) যেভাবে হোক যেন পদ্মাবতীর প্রাণ রক্ষা করে
খ) তারা যেন পদ্মাবতীর স্বামীর সন্ধানে বেরিয়ে পড়ে
গ) তারা যেন পদ্মাবতীকে বাগানে নিয়ে যায়
ঘ) তারা যেন পদ্মাবতীর সঙ্গে কোনো কথা না বলে
উত্তর: গ) তারা যেন পদ্মাবতীকে বাগানে নিয়ে যায়
৩২. “হেম রত্নে নানা রঙ্গি…” — ‘হেম’ কথার অর্থ কি?
ক) এক ধরনের সুতো
খ) সোনা
গ) নকল
ঘ) লতা
উত্তর: খ) সোনা
৩৩. পদ্মাবতী কাব্যটি রচিত হয় —
ক) ১৬৪৫ থেকে ১৬৫২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে
খ) ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে
গ) ১৬৬২ খ্রিস্টাব্দে
ঘ) ১৬৭২ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর: ক) ১৬৪৫ থেকে ১৬৫২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে
৩৪. “তার পাশে রচিল উদ্যান…” — সমুদ্র তীরে উদ্যান রচনা করেছেন কে?
ক) বিজয়া
খ) লক্ষী
গ) পদ্মা
ঘ) পদ্মাবতী
উত্তর: গ) পদ্মা
৩৫. পদ্মাবতী কাব্যটি যে কাব্যের অনুবাদ, সেটি হল —
ক) পদুমাবৎ
খ) সেকেন্দারনামা
গ) লোরচন্দ্রাণী
ঘ) সয়ফুলমুলক বদিউজ্জমাল
উত্তর: ক) পদুমাবৎ
৩৬. “পিতার পুণ্যের ফলে মোহর ভাগ্যের বলে/বাহুরক কন্যার জীবন” — ‘বাহুরক’ শব্দের অর্থ কি?
ক) বেরিয়ে যাক
খ) ফিরে আসুক
গ) সফল হোক
ঘ) স্বস্তি পাক
উত্তর: খ) ফিরে আসুক
৩৭. “বুঝি সমুদ্রের নাও ভাঙ্গিল প্রবল বাও/মোহিত পাইয়া সিন্ধু-ক্লেশ” — এ কথা মনে হয়েছে —
ক) রত্নসেনের
খ) পদ্মাবতীর
গ) বিধুন্নলার
ঘ) পদ্মার
উত্তর: ঘ) পদ্মার
৩৮. “বেকত দেখিয়ে আঁখি তেন স-বসন সাক্ষী/বেথানিত হৈছে কেশ বেশ” — বেথানিত শব্দের অর্থ কী?
ক) ব্যক্ত
খ) বিস্থানিত বা স্থান থেকে সরে যাওয়া
গ) ছিন্ন
ঘ) সিক্ত
উত্তর: খ) বিস্থানিত বা স্থান থেকে সরে যাওয়া
৩৯. “তুরিত গমনে আসি….” — ত্বরিত গমনে এসেছেন —
ক) পদ্মা
খ) পদ্মাবতী
গ) রত্নসেন
ঘ) হীরামন
উত্তর: ক) পদ্মা
৪০. “জলের মাঝে তথা….” — জলের মধ্যে রয়েছে —
ক) সাপ
খ) নগরী
গ) পাহাড়
ঘ) রাক্ষস
উত্তর: খ) নগরী
৪১. “মনেতে কৌতুক বাসি…” — পদ্মার মনে কৌতূহল জাগার কারণ —
ক) তিনি সমুদ্র তীরে কলরব শুনেছেন
খ) তিনি সমুদ্র তীরে হঠাৎ এক পর্বত লক্ষ্য করেছেন
গ) তিনি উদ্যানে বহু পাখির সমাগম লক্ষ্য করেছেন
ঘ) তিনি সমুদ্রের একটি মাঞ্জস লক্ষ্য করেছেন
উত্তর: ঘ) তিনি সমুদ্রের একটি মাঞ্জস লক্ষ্য করেছেন
Geographic Reference
৪২. সিন্ধুতীরে কবিতায় অতি মনোহর দেশ বলতে —
খ) চিতোরকে
গ) সিংহলকে
ঘ) সমুদ্রের পাশে পার্বত্য অঞ্চলকে
উত্তর: ঘ) সমুদ্রের পাশে পার্বত্য অঞ্চলকে
৪৩. “মধ্যেতে যে কন্যাথানি রূপে অতি রম্ভা জিনি” — মাঝখানের কন্যাটি কে?
ক) চন্দ্রপ্রভা
খ) বিজয়া
গ) পদ্মাবতী
ঘ) পদ্মা
উত্তর: গ) পদ্মাবতী
৪৪. মোহন্ত শব্দের অর্থ কী?
ক) পুজো করা
খ) পুরোহিত
গ) আরতি করা
ঘ) প্রসাদ বিতরণ
উত্তর: খ) পুরোহিত
৪৫. “চিত্রের পোতলি সমা নিপাতিত মনোরমা…” — পোতলি শব্দের অর্থ কী?
ক) পিতল
খ) পাতলা
গ) পুতুল
ঘ) পোটলা
উত্তর: গ) পুতুল
৪৬. নিচের যে রচনাটি সৈয়দ আলাওলের নয় —
ক) তোহফা
খ) নাগাষ্টক
গ) সেকেন্দারনামা
ঘ) সতীময়না ও লোর চন্দ্রানী
উত্তর: খ) নাগাষ্টক
৪৭. “নাহি তথা দুঃখ ক্লেশ” — ক্লেশ শব্দের অর্থ কী?
ক) কেশ
খ) কষ্ট
গ) ক্লান্তি
ঘ) শেষ
উত্তর: খ) কষ্ট
৪৮. “অচৈতন্য পড়িছে ভূমিতে” — কে অচৈতন্য হয়ে পড়েছে?
ক) পদ্মা
খ) পদ্মাবতী
গ) অপ্সরা
ঘ) কোনটাই নয়
উত্তর: খ) পদ্মাবতী
৪৯. বিদ্যাধরি শব্দের অর্থ কী?
ক) স্বর্গের গায়িকা
খ) বিদ্যায় যে পারদর্শী
গ) তুচ্ছ
ঘ) বিদ্যায় মনোযোগী
উত্তর: ক) স্বর্গের গায়িকা
৫০. সিন্ধুতীরে শীর্ষক কাব্যাংশটি পদ্মাবতী কাব্যের —
ক) রত্নসেন বন্ধন খণ্ড থেকে নেওয়া হয়েছে
খ) বাদশাহ আক্রমণ খণ্ড থেকে নেওয়া হয়েছে
গ) পদ্মা সমুদ্র খণ্ড থেকে নেওয়া হয়েছে
ঘ) পদ্মাবতী রত্নসেন ভেট খণ্ড থেকে নেওয়া হয়েছে
উত্তর: গ) পদ্মা সমুদ্র খণ্ড থেকে নেওয়া হয়েছে
খ) এককথায় উত্তর দাও। (প্রতিটি প্রশ্নের মান ১)
১. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি কার লেখা?
উত্তর: সৈয়দ আলাওলের লেখা।
২. সৈয়দ আলাওল কোন সময়ের কবি?
উত্তর: মধ্যযুগের কবি।
৩. সৈয়দ আলাওল কোন রাজসভার কবি ছিলেন?
উত্তর: আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন।
৪. কবি সৈয়দ আলাওল কোন সময়ে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: ষোড়শ শতাব্দীর শেষদিকে।
৫. সৈয়দ আলাওলের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
উত্তর: ফাতেহাবাদ মুলুকের জালালপুর গ্রামে (বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্গত)।
৬. আমাদের আলোচ্য ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে?
উত্তর: সৈয়দ আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের ৩৫ তম খণ্ড ‘পদ্মা-সমুদ্র খণ্ড’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
৭. ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটির রচনাকাল উল্লেখ করো।
উত্তর: আনুমানিক ১৬৪৫-১৬৪৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে।
৮. সৈয়দ আলাওল তাঁর ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি কোন কাব্য অনুসরণে রচনা করেন?
উত্তর: সুফি সাধক ও বিখ্যাত হিন্দি কবি মালিক মহম্মদ জায়সির ‘পদুমাবৎ’ কাব্য অনুসরণে রচনা করেন।
৯. ‘পদ্মাবতী’ কাব্যে বর্ণিত চিতোর রাজ্যের রাজা কে ছিলেন?
উত্তর: রত্নসেন।
১০. পদ্মাবতী কে?
উত্তর: রানা রত্নসেনের স্ত্রী এবং সিংহলের রাজকন্যা।
১১. সৈয়দ আলাওলের প্রথম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রচনা কোনটি?
উত্তর: ‘পদ্মাবতী’ কাব্য।
১২. সৈয়দ আলাওল কার পৃষ্ঠপোষকতায় ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি রচনা করেন?
উত্তর: আরাকান রাজ্যের প্রধান অমাত্য মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায়।
১৩. ‘কন্যারে ফেলিল যথা’— কন্যা কে?
উত্তর: পদ্মাবতী।
১৪. কন্যাকে কোথায় ফেলা হয়েছিল?
উত্তর: সমুদ্রের মাঝে যেখানে দিব্যপুরী অবস্থিত।
১৫. সমুদ্রের মাঝে অবস্থিত দিব্যপুরীটি কেমন?
উত্তর: অতি মনোহর।
১৬. ‘মনোহর’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: অতি সুন্দর / চিত্তাকর্ষক।
১৭. ‘দিব্যপুরী’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: স্বর্গীয় স্থানকে বোঝায়। এখানে সুন্দর প্রাসাদকে বোঝানো হয়েছে।
১৮. ‘নাহি তথা দুঃখ ক্লেশ’— কোথায় দুঃখ ক্লেশ নেই?
উত্তর: সমুদ্রের মাঝে অবস্থিত স্বর্গীয় প্রাসাদে।
১৯. ‘ক্লেশ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: কষ্ট।
২০. কোথায় সত্য ধর্ম সদাচার বিরাজ করে?
উত্তর: সমুদ্রের মাঝে অবস্থিত মনোহর দেশে।
২১. ‘সমুদ্র নৃপতি সুতা’— সমুদ্র নৃপতি সুতা কে?
উত্তর: পদ্মা।
২২. ‘পদ্মা নামে গুণযুতা’— এখানে ‘গুণযুতা’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: পদ্মা নামে পরিচিত / যাকে পদ্মা নামে জানি।
২৩. কোথায় দিব্যস্থান অবস্থিত?
উত্তর: সিন্ধুতীরে।
২৪. ‘দিব্যস্থান’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: স্বর্গের মতো মনোরম স্থানকে বোঝায়।
২৫. পদ্মা কোথায় উদ্যান রচনা করেছিল?
উত্তর: দিব্যস্থানটির উপরে অবস্থিত পর্বতের পাশে।
২৬. ‘ফল ফুলে অতিরেক’— এখানে ‘অতিরেক’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: অধিক / প্রচুর।
২৭. ‘নানা পুষ্প মনোহর’— পুষ্পগুলি কেমন?
উত্তর: অধিক সুগন্ধযুক্ত।
২৮. ‘সুগন্ধি সৌরভতর’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: অধিক সুগন্ধযুক্ত।
২৯. পদ্মার উদ্যানে কী ধরনের বৃক্ষ দৃশ্যমান?
উত্তর: সুলক্ষণযুক্ত বৃক্ষ দৃশ্যমান।
৩০. ‘সুলক্ষণ’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: শুভ লক্ষণযুক্ত।
৩১. ‘তাহাতে বিচিত্র টঙ্গি’— ‘টঙ্গি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: প্রাসাদ।
৩২. ‘তথা কন্যা থাকে সর্বক্ষণ’— কোথায় কে সর্বক্ষণ থাকে?
উত্তর: সমুদ্রের মাঝে ফলে-ফুলে সমৃদ্ধ হেমরত্নে মণ্ডিত এক অতি মনোহর রাজপ্রাসাদে সমুদ্রকন্যা পদ্মা থাকে।
৩৩. ‘হেমরত্নে নানা রঙ্গি’— লাইনটির সরল অর্থ লেখো।
উত্তর: বহু বর্ণের সোনা শোভা পাচ্ছে।
৩৪. ‘পিতৃপুরে ছিল নিশি’— কে সারা রাত্রি পিতৃপুরে ছিল?
উত্তর: পদ্মা।
৩৫. ‘পিতৃপুর’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: পিতার গৃহে বা প্রাসাদে।
৩৬. পিতৃপুরে পদ্মার কীভাবে নিশি কেটেছিল?
উত্তর: নানা সুখে এবং হাসি-খেলার মাধ্যমে নিশি কেটেছিল।
৩৭. ‘প্রত্যুষ’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: ভোর।
৩৮. পদ্মা কাদের সঙ্গে উদ্যানে এসেছিল?
উত্তর: সখিদের সঙ্গে।
৩৯. পদ্মা সখিদের সঙ্গে কেমনভাবে উদ্যানে এসেছিল?
উত্তর: রঙ্গ বা হাসি-আনন্দ করতে করতে।
৪০. ‘সিন্ধুতীরে রহিছে মাঞ্জস’— ‘মাঞ্জস’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ভেলা।
৪১. ‘মনেতে কৌতুক বাসি’— কার মনে কৌতূহল দেখা দিয়েছিল?
উত্তর: পদ্মার মনে।
৪২. ‘তুরিত গমনে আসি’— ‘তুরিত’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: অতি দ্রুত।
৪৩. তুরিত গমনে এসে পদ্মা কী দেখতে পেলেন?
উত্তর: মাঝখানে অতি সুন্দর একটি কন্যা এবং তার চারিপাশে চারটি সখি অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে আছে।
৪৪. ‘চারিভিত’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: চারদিক / চারপাশে।
৪৫. ‘মধ্যেতে যে কন্যাখানি’— মাঝের কন্যাটির পরিচয় দাও।
উত্তর: মাঝের কন্যাটি হলেন রানা রত্নসেনের স্ত্রী এবং সিংহলের রাজকন্যা পদ্মাবতী।
৪৬. মাঝের কন্যার রূপ-সৌন্দর্যের পরিচয় দাও।
উত্তর: মাঝের কন্যা অর্থাৎ পদ্মাবতী অপরূপ সুন্দরী। যেন স্বর্গের রম্ভাকেও সৌন্দর্যে পরাজিত করেছেন।
৪৭. ‘রূপে অতি রম্ভা জিনি’— লাইনটির সরলার্থ লেখো।
উত্তর: রূপের সৌন্দর্যে যেন রম্ভাকেও জয় করেছেন
৪৮. ‘জিনি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: জয় করা।
৪৯. ‘বিস্মিত হইল বালা’— এখানে বালা কে?
উত্তর: সমুদ্র রাজার কন্যা পদ্মা।
৫০. বালার বিস্মিত হওয়ার কারণ কী?
উত্তর: সিন্ধুতীরে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকা পঞ্চকন্যার মধ্যে মাঝের কন্যাটির রূপ-সৌন্দর্য দেখে বালা অর্থাৎ পদ্মা বিস্মিত হয়েছিলেন।
৫১. রম্ভা কে?
উত্তর: রম্ভা হলেন স্বর্গের অপ্সরী।
৫২. ‘নিপতিতা চেতন রোহিত’— লাইনটির সরলার্থ লেখো।
উত্তর: অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে আছে।
৫৩. ‘অনুমান করে নিজ চিতে’— ‘চিতে’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: চেতনাতে / মনে / হৃদয়ে।
৫৪. পদ্মা মাঝের কন্যাটিকে দেখে কী অনুমান করেছিল?
উত্তর: হয়তো ইন্দ্রের অভিশাপে বিদ্যাধরী স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হয়ে অচৈতন্য অবস্থায় ভূমিতে পড়ে আছে।
৫৫. ‘বিদ্যাধরী’ কে?
উত্তর: স্বর্গের গায়িকা।
৫৬. ‘বেকত দেখিয়া আঁখি’— ‘বেকত’ শব্দের অর্থ লেখো।
উত্তর: প্রকাশিত।
৫৭. ‘তেন স-বসন সাক্ষী’— লাইনটির সরল অর্থ লেখো।
উত্তর: তার কাপড় সাক্ষী।
৫৮. ‘বেথানিত হৈছে কেশ বেশ’— ‘বেথানিত’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: এলোমেলো বা অবিন্যস্ত।
৫৯. ‘বুঝি সমুদ্রের নাও ভঙ্গিল প্রবল বাও’— কে এটি অনুমান করেছেন?
উত্তর: পদ্মা অনুমান করেছেন যে, সমুদ্রের প্রবল বাতাস হয়তো অচৈতন্য পঞ্চকন্যাদের নৌকা ভেঙে দিয়েছে।
৬০. ‘মোহিত পাইয়া সিন্ধু ক্লেশ’— ‘মোহিত’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: মুগ্ধ হয়ে।
৬১. ‘চিত্রের পোতলি সমা’— ‘পোতলি’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: পুতুল।
৬২. কাকে চিত্রের পুতুলের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে?
উত্তর: পদ্মাবতীকে।
৬৩. ‘নিপতিত মনোরমা’— ‘নিপতিত’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: পড়ে আছে।
৬৪. ‘মনোরমা’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: পদ্মাবতীকে।
৬৫. ‘কিঞ্চিৎ আছয় মাত্র শ্বাস’— কাদের সম্পর্কে উক্তিটি করা হয়েছে?
উত্তর: অচৈতন্য পদ্মাবতী এবং তাঁর চারজন সখি সম্পর্কে উক্তিটি করা হয়েছে।
৬৬. ‘অতি স্নেহ ভাবি মনে বলে পদ্মা ততক্ষণে’— স্নেহভরে পদ্মা কী বলেছিল?
উত্তর: পিতার পুণ্যের ফলে এবং পদ্মার ভাগ্যের বলে পঞ্চকন্যার চেতনা ফিরে আসুক। বিধি যেন তাকে নিরাশ না করেন।
৬৭. ‘মোহর ভাগ্যের বলে’— ‘মোহর’ শব্দটির অর্থ কী?
উত্তর: ‘মোহর’ শব্দের অর্থ মোর অর্থাৎ আমার।
৬৮. ‘বাহুরক কন্যার জীবন’— ‘বাহুরক’ কথার অর্থ কী?
উত্তর: ফিরে আসুক।
৬৯. ‘চিকিৎসিমু প্রাণপণে’— ‘চিকিৎসিমু’ কথার অর্থ কী?
উত্তর: চিকিৎসা করব।
৭০. কে কাদের প্রাণপণে চিকিৎসা করবেন?
উত্তর: সমুদ্রকন্যা পদ্মা এবং তার সখীরা পদ্মাবতীসহ অচৈতন্য পঞ্চকন্যাদের চিকিৎসা করবেন।
৭১. চিকিৎসা করার ক্ষেত্রে পদ্মা কার কাছে কৃপা প্রার্থনা করেছিলেন?
উত্তর: বিধাতার কাছে।
৭২. ‘দুখিনীরে করিয়া স্মরণ’— আলোচ্য অংশে দুখিনী কে?
উত্তর: সমুদ্রকন্যা পদ্মা।
৭৩. ‘সখি সবে আজ্ঞা দিল’— পদ্মা তাঁর সখীদের কী আজ্ঞা দিলেন?
উত্তর: বসন দিয়ে ঢেকে পঞ্চকন্যাদের উদ্যানের মাঝে নিয়ে যাওয়ার জন্য আজ্ঞা দিলেন।
৭৪. ‘পঞ্চকন্যা পাইলা চেতন’— পঞ্চকন্যা কীভাবে চেতনা ফিরে পেয়েছিল?
উত্তর: পদ্মার আদেশে তার সখীদের সেবা-যত্নে এবং তন্ত্র-মন্ত্র ও ঔষধ প্রয়োগে চার দণ্ড চিকিৎসা করার পর পঞ্চকন্যা চেতনা ফিরে পেয়েছিল।
৭৫. ‘দণ্ড’ কী?
উত্তর: সময় মাপার একক।
৭৬. এক দণ্ড সমান কত মিনিট?
উত্তর: ২৪ মিনিট।
৭৭. চার দণ্ডে কত মিনিট হয়?
উত্তর: ৯৬ মিনিট।
৭৮. পঞ্চকন্যার নাম লেখো।
উত্তর: পদ্মাবতী, চন্দ্রকলা, রোহিনী, বিজয়া ও বিধুন্নলা।
৭৯. ‘শ্রীযুত মাগন গুণী’— মাগন কে?
উত্তর: মাগন হলেন আরাকান রাজা থদোমিনতারের প্রধান অমাত্য। এই মাগন ঠাকুরের নির্দেশেই আলাওল ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি রচনা করেন।
৮০. অচেতন পঞ্চকন্যাকে কীভাবে সারিয়ে তোলা হয়?
উত্তর: তন্ত্র-মন্ত্র ও ঔষধ প্রয়োগ করে।
৮১. ‘হীন আলাওল সুরচন’— কাব্যের মধ্যে কবির এমন আত্মপরিচয় দান করাকে কী বলা হয়?
উত্তর: ভণিতা।
৮২. ‘শ্রীযুত মাগন গুণী’— কবি আলাওল তাঁর কবিতায় মাগনের নাম উল্লেখ করেছেন কেন?
উত্তর: আরাকান রাজ্যের প্রধান অমাত্য মাগন ঠাকুরের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং সহায়তায় কবি ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি রচনা করেন। তাই তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাতেই তিনি মাগন ঠাকুরের নাম উল্লেখ করেছেন।
৮৩. ‘মোহিত পাইয়া সিন্ধুক্লেশ’— ‘সিন্ধুক্লেশ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: পদ্মাবতীকে অচৈতন্য অবস্থায় দেখে সমুদ্রকন্যা পদ্মা অনুমান করেন যে, সমুদ্রঝড়ে আক্রান্ত হয়ে নৌকাডুবির ফলে সামুদ্রিক পীড়া বা সমুদ্রের ক্লেশে তিনি জ্ঞান হারিয়েছেন।
